পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম সাকলায়েন অভিনেত্রী পরীমণির সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে অভিযুক্ত। সাকলায়েনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে এবং তাকে “অসদাচরণের” অভিযোগে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সাকলায়েন ২০২১ সালের জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত পরীমণির সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করেছিলেন এবং তার বাসায় সময় কাটাতেন। এই সম্পর্কটি গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
গত ১৩ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে উপসচিব রোকেয়া পারভিন জুঁই স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে সাকলায়েন ২০২১ সালের জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত অভিনেত্রী পরীমণির সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করেছিলেন এবং তার বাসায় সময় কাটাতেন। মোবাইল ফোন রেকর্ড ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে এই সম্পর্কটি গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। সাকলায়েন একজন বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও পরীমণির সাথে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক স্থাপন করেছেন।
এই অভিযোগে সাকলায়েনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছিল। তদন্ত ও শুনানির পর শৃঙ্খলা শাখা তাকে “অসদাচরণের” অভিযোগে চাকরি থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পরীমণির সাথে সম্পর্কের সময় সাকলায়েন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগের এডিসির দায়িত্বে ছিলেন। পরে তাকে পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) বদলি করা হয়। বর্তমানে তিনি ঝিনাইদহ ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি আছেন।

