ঈদুল আজহা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এটি ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাঈল (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও আল্লাহভীতির এক মহান স্মরণ।
ইতিহাস:
আদম (আ.)-এর পুত্র হাবিল ও কাবিলের কোরবানির প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কোরবানির ইতিহাসের সূচনা।
হজরত ইব্রাহিম (আ.)-কে স্বপ্নে নিজের প্রিয় পুত্র ইসমাঈল (আ.)-কে কোরবানি করার আদেশ দেওয়া হয়।
আত্মত্যাগের ইচ্ছায় পূর্ণ ইব্রাহিম (আ.)-কে ঠিক সময়ে আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয় এবং একটি দুম্বা দিয়ে কোরবানি করা হয়।
গুরুত্ব:
আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন।
আত্মত্যাগ, ঈমান ও আল্লাহভীতির প্রদর্শন।
গরিব ও দুঃখীদের প্রতি সহানুভূতি ও সহায়তা।
সামাজিক সম্প্রীতি ও ঐক্য বৃদ্ধি।
শিক্ষা:
আল্লাহর আদেশ মেনে চলার তাৎপর্য।
ত্যাগ স্বীকার ও আত্মত্যাগের গুরুত্ব।
পরকল্পরার প্রতি বিশ্বাস।
সহানুভূতি, দানশীলতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা।
কোরবানির মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি,
আত্মশুদ্ধি করতে পারি এবং
একই সাথে সমাজের দুঃস্থ মানুষের প্রতি সহানুভূতি ও
সহায়তা প্রদর্শন করতে পারি।
ঈদুল আজহা আমাদের সকলের জন্য শুভ হোক!

