ঈদুল আজহার আনন্দে মুখরিত বাংলাদেশে আজ ‘বাবা দিবস’। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সন্তানের পাশে থাকা, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও আশীর্বাদ দিয়ে সন্তানের জীবনকে করে তোলা সুন্দর – এমনই একজন মানুষ হলেন বাবা।
সন্তানের জীবনে বাবার ভূমিকা অনস্বীকার্য। হাঁটতে শেখা থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে শেখা – প্রতিটি ধাপে বাবা থাকে সন্তানের পাশে।
বাবারা শুধু ‘কনকনে রোদের তীব্রতম দিনে ছায়া’, ‘নির্ভরতার এক অটুট স্তম্ভ’ নন, বরং তারা সন্তানের জীবনের ‘সুপার হিরো’। তাই এই বিশেষ দিনে সন্তানরা তাদের প্রিয়তম বাবাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাতে ভুলেন না।
আজকের দিনটি ঈদুল আজহার সাথে মিলে গেছে, যা দিবসটির গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি করেছে। ঈদের আনন্দে সন্তানদের নতুন জামাকাপড়, খেলনা কিনে দিয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটান বাবারা।
১৯০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বাবা দিবস পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এই দিবসটি পালন শুরু হয়।
আজকের এই দিনে সকল বাবাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, আত্মত্যাগ ও ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞ সন্তানরা তাদের প্রিয়তম বাবাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানানোর জন্য নানা আয়োজন করেছে।
বাবা দিবস শুধু একটি দিনের উৎসব নয়, বরং সারাজীবন মনে রাখার মতো একটি বিশেষ দিন। এই দিন আমাদের সকলের উচিত আমাদের বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করা এবং তাদের অবদান স্মরণ করা।
জাগো/আরএইচএম

