দাবি:
- পদ্মা সেতু প্রকল্পে বেনাপোল-যশোর ঢাকা রুটে ২টি, দর্শনা-যশোর ঢাকা রুটে ২টি ট্রেন চালু করা।
- খুলনা থেকে যমুনা সেতু রুটে চলমান ট্রেন চালু রাখা।
- ঢাকায় অফিস করার জন্য প্রতিদিন যাতায়াতের সুবিধার্থে ট্রেনের সময়সূচী তৈরি।
- আন্তঃনগর ট্রেনে সুলভ বগী ও মালবাহী বগী যুক্ত করা।
- ট্রেন ভাড়া কমানো।
- টিকিট প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নিবন্ধনের বাইরেও ব্যবস্থা রাখা।
- সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকিট প্রাপ্তির বিকল্প ব্যবস্থা রাখা।
- দর্শনা থেকে খুলনা পর্যন্ত ডাবল রেল লাইন জরুরী ভিত্তিতে স্থাপন।
- পদ্মাসেতু রেল প্রকল্পে ঢাকা-নড়াইল-বেনাপোল রুটে ট্রেন চালু করা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, যশোরকে বঞ্চিত রেখে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। যশোর একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। এ শহরের রেলওয়ে একটি জংশন, যা সারাদেশে ব্যবসা বানিজ্য ও যাতায়াত যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তারা আরও বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে যশোরের মানুষের যে স্বপ্ন ছিল, তা মৃত্যুমুখে। তাই ৬ দফা দাবি না মানলে অবিলম্বে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
সমাবেশ শেষে বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ রেল স্টেশন মাস্টার ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন।
জাগো/আরএইচএম

