প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। তিনি বলেন, “আমাদের নির্বাচনে বাইরে থেকেও থাবা, হাত এসে পড়েছে। তারা থাবা বিস্তার করে রেখেছে।”
সোমবার আগারগাওঁয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে বিচারিক হাকিমদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, “ওরা (বিদেশি) একটাই দাবি করে যে, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনটা ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল হতে হবে এবং কোনোরকম কারচুপির আশ্রয় নেওয়া যাবে না।”
তিনি বলেন, “এই নির্বাচনের ফেয়ারনেসকে উপলক্ষ করে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিভক্ত হয়ে গেছে। এটি কাঙ্ক্ষিত ছিল না। সেজন্যই বলা হয় ক্রেডিবল ইলেকশন। ইলেকশন জিনিসটা কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য, চোখে দেখা যায় না, যাবেও না।”
সিইসি বলেন, “তারপরেও বলা হয় নির্বাচন ক্রেডিবল, ফ্রি হয়েছে কিনা, ফেয়ার হয়েছে কিনা। এই পাবলিক পারসেপশনের কোনো মানদণ্ড নেই। তবুও জনগণকে বলতে হবে নির্বাচন ফ্রি এবং ফেয়ার হয়েছে। সার্বিকভাবে যদি জনগণ বলে থাকে যে, এবারের নির্বাচনটা ফ্রি ফেয়ার এবং ক্রেডিবল হয়েছে, তাহলে এটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। আমরা একটা ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল ইলেকশন চাচ্ছি।”
সিইসির এই অভিযোগের বিষয়ে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশের নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে নির্বাচন কমিশনাররা এ ধরনের অভিযোগ করেছেন।

