দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার ও বাংলাদেশ স্কাউটসের কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, বাংলাদেশ স্কাউটস এশিয়া মহাদেশে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। গর্বের বিষয় এটির অবস্থান সারা বিশ্বেও তৃতীয়। আমরা যে লক্ষে কাজ করছি আগামি ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে দাঁড়াবো। যে জায়গায় স্কাউটের দল নাই। সেখানে দল গঠনের সিন্ধান্ত নিয়েছি। সেই প্রক্রিয়াতেই দেশের সকল মাদ্রাসা কিন্ডারগার্টেনে স্কাউট দল গঠন করা হবে। এমনকি পথশিশুদের নিয়েও কাজ করবে বাংলাদেশ স্কাউট। আজ শুক্রবার দুপুরে যশোর সদরের পুলেরহাটস্থ আঞ্চলিক স্কাউট কেন্দ্রে খুলনা অঞ্চলের শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড ও প্রেসিডেন্ট’স স্কাউট অ্যাডওয়ার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যেকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মো. মোজাম্মেল হক খান আরো বলেন,
স্কাউটের বয়স ৫০ বছর হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা সুবর্ণজয়ন্তী পালন করেছি। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে ৫০ বছর আগে আমাদের সদস্য ছিলো ৫০ হাজার। আজকে সেটি দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৩৪ হাজার। আমরা ঘোষণা দিয়েছি আগামি ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটি স্কুলে দুটি করে দল গঠন করার। তার পরে এটি দাঁড়াবে অধ্যকোটিতে।
- স্কাউটের কার্যক্রম প্রশংসা করে তিনি বলেন,
স্কাউটের মাধ্যমে আগামি বাংলাদেশের দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য নিজেদেরকে সামাজিকভাবে দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মানবিক শক্তি অর্জন করতে হবে। তাদের গতি হবে শেকড় থেকে শিখর পর্যন্ত। আজকে যারা পুরস্কার পেয়েছে এই অর্জনের ধারা অব্যহত রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে অর্জনেরও শেষ নেই; টেষ্টারও শেষ নেই।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড যশোরের চেয়ারম্যান প্রসেফর ড. মো. আহসান হাবিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ স্কাউটস জাতীয় কমিশনার (জনসংযোগ ও মার্কেটিং) এম এম ফজলুল হক আরিফ, জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান, স্কাউটসের কমিশনার (প্রগ্রাম) মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক উনু চিং, স্কাউটসের খুলনা অঞ্চলের কমিশনার রুহুল আমিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কাউটসের খুলনা অঞ্চলের সম্পাদক ও আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ আবুল খায়ের। অনুষ্ঠানে ২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ সালের ৮টি গ্রুপে শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড ও ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট’স স্কাউটের ২৬৬ জনকে অ্যাওয়ার্ড বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দরা।

