স্কুলে কোচিং শেষ করে মায়ের সাথে বাড়ি ফিরছিলো শ্রেয়া বালা। কিন্তু কিছুদূর যেতেই নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট ভেঙে পড়ে ছোট্ট শিশুটির মাথায়। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার আগেই শিশুটি মারা যায়।
শনিবার (১৮ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে যশোরের চৌগাছায় পৌর শহরের নাসির হোটেল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুটির পুরো নাম শ্রেয়া বালা। বয়স আট বছর। সে পৌর শহরের নিরিবিলি পাড়ার বাসিন্দা শংকর বালার মেয়ে এবং চৌগাছা রাগীব আহসান নিহাল আইডিয়াল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সবুজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও থানা সূত্রে জানা যায়, স্কুলে কোচিং শেষে মায়ের সাথে বাড়ি ফিরছিলো শ্রেয়া বালা। পৌর শহরের নাসির হোটেল এলাকায় জিল্লুর রহমানের নির্মাণাধীন ভবনের নিচে পৌঁছালে চারতলার ওপরের গাথুনির ইট ভেঙে শিশুটির মাথায় পড়ে। এ সময় মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে শিশুটিকে চৌগাছা সরকারি মডেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর রেফার করা হয়। সেখান থেকে ঢাকায় রেফার করা হয়। পরে ঢাকায় নেয়ার আগেই মৃত্যু হয় ছোট্ট শ্রেয়ার।
শিশুটির বাবা শংকর বালা জানান, স্কুল থেকে কোচিং শেষে মায়ের সাথে বাড়িতে ফিরে আসছিলো শ্রেয়া। শহরের নাসির হোটেল এলাকায় জিল্লুর রহমানের নির্মাণাধীন ভবনের নিচে পৌঁছালে ওপর থেকে হঠাৎ ওর মাথায় ইট পড়ে। সাথে সাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে শ্রেয়া। মাথা ও সারা শরীর দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। ওকে প্রথম চৌগাছা, পরে যশোর নেয়া হয়। ঢাকায় নেয়ার জন্য গাড়িতে উঠানোর আগেই মারা যায় শ্রেয়া।

