ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ ফারুককে আইনজীবীদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও অশালীন আচরণ বিচার বিভাগে কালো দাগ সৃষ্টি করেছে।
সাম্প্রতিক আলোচিত এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতিসহ তিন আইনজীবীর উপস্থিতিতে মঙ্গলবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন।
আদালত বলেন, অবস্থা এমন চলতে থাকলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের নিষিদ্ধসহ কঠোর পন্থা অবলম্বন করতে বাধ্য হবে আদালত।
শুনানিতে তিন আইনজীবীর পক্ষে ফের সময় চাওয়া হলে হাইকোর্ট বলেন, বারের সভাপতি হোক আর সাধারণ আইনজীবী কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। বার কাউন্সিল যদি এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয় তবে হাইকোর্টে তাদের আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হবে।
এর প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি হাইকোর্টকে জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনজীবীরা আদালতে ফিরেছেন। হাইকোর্ট ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে, জবাব দিলে দেবেন, না দিলে আমরা আমাদের মতো আদেশ দেবো। কারণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে অচল করেছে আইনজীবীরা, তা চলতে পারে না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিচারককে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও অশালীন আচরণের ঘটনার ৮টি ফেসবুক ও ৫টি ইউটিউব ভিডিও সরিয়েছে। বিটিআরসির আইনজীবী ব্যারিস্টার আশরাফুল হাদী হাইকোর্টকে এ তথ্য জানান।
এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি এসব ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অপসারণ করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বিটিআরসিকে দ্রুত এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

