বাঘারপাড়ায় ১৫০ হেক্টর জমি অনাবাদি

আরো পড়ুন

যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলায় ১৫০ হেক্টর অনাবাদি জমি চিহিৃত করা হয়েছে। সেখানে জলাবদ্ধতার কারণে চাষ করা হয় না বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মঞ্জুরুল হক।

জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বাঘারপাড়া বাকড়ি গ্রামে ১৫০ বিঘা অনাবাদি জমি রয়েছে। কিন্তু এলজিইডির একটি কালভার্টের কারণে ওই জমিতে জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। একারণে সেখানে চাষাবাদ করা যায় না। জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধান হলে ওই জমি কৃষকদের চাষ করার জন্য দেয়া হবে।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে বাঘারপাড়ার বাকড়ি গ্রামের জলাবদ্ধতা থাকা ১৫০ বিঘা জমির জলাবদ্ধতা দুর করার জন্য কাজ করা হবে। তবে জেলা সারের কোনো সংকট নেই।

সভাপতির বক্তব্যে যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেছেন জেলা সব বিদ্যালয়ের সবজি চাষ করতে হবে। এতে করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ লাভবান হবে। সেই জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ দেশের কোনো জমি অনাবাদি থাকবে না। সেটা বাস্তবায়নের জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দেয়া হবে।

জেলা শিক্ষা অফিসার একে এম গোলাম আযম বলেছেন, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষকরা যাতে করে সবজির চাষ করেন। এজন্য নির্দেশ দেয়া হবে।

জেলা যুব উন্নয়ন অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান বলেছেন, যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি, কারিগরির ক্ষেত্রে, দেশ প্রেম, বীরত্ব ও সাহসিকতার ক্ষেত্রে, জ্যেষ্ঠদের প্রতি আদর্শ সেবকা ও সমাজ কল্যাণে অসাধারণ অবদানের জন্য এবং ক্রীড়া, কলা সাংস্কৃতিতে উল্লেখয্যেগ্য অবদানের জন্য শেখ হাসিনা ইয়ুথ ভলাণ্টিয়ার-২০২৩ প্রদান করা হবে। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে যুবদের পুরস্কার প্রদানের নিমিত্তে নিম্নোক্ত শর্তাবলী অনুযায়ী নির্ধারিত ফরমে সরাসরি আবেদন করতে হবে।

যশোর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম আবু নওশাদ বলেছেন পৌরসভার ড্রেনের পানি প্রবেশের মুখে নেট দেয়া হবে। যাতে করে পলিথিন ড্রেনের গিয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয়।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু বলেছেন, তাদের চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯ হাজার ৯৯৯ মেট্রিকটন। ১৯৭টি মিলের সাথে ৭ হাজার ৭৩২ মেট্রিকটন চাল নেয়ার বিষয়ে চুক্তি বদ্ধ হয়েছে। খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির তালিকায় ছিল ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৩২ জন। সেই তালিকা অনুযায়ী ১ লাখ ৩১ হাজার ১২৩ জহনকে যাছাই বাছাই করা হয়েছে।

এসময় বক্তব্য রাখেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার আক্তারুজ্জামান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, মণিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা খানম, অভয়নগরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাউল হক প্রমুখ। এসময় বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ