একাদশ জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বিরোধী দল বিএনপির সাত সংসদ সদস্য।
রবিবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনে স্পিকারের কক্ষে গিয়ে এই পদত্যাগ পত্র জমা দেন তারা। এরপর ১২টা ১৫ মিনিটে স্পিকারের কক্ষ ত্যাগ করেন।
পদত্যাগ করা বিএনপির সংসদ সদস্যরা হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের হারুনুর রশীদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আবদুস সাত্তার, বগুড়া-৪ আসনের মোশাররফ হোসেন, বগুড়া–৬ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাহিদুর রহমান এবং বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
হারুনুর রশীদ ও আবদুস সাত্তার ছাড়া বাকি পাঁচ জন সংসদ সদস্য এসময় উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, দেশের বাইরে থাকায় হারুনুর রশীদ এবং অসুস্থতার কারণে আবদুস সাত্তার সশরীরে পদত্যাগপত্র জমা দিতে আসতে পারেননি।
আইন অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য পদত্যাগ করলে তার আসনে উপ-নির্বাচন হবে। এর আগে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে আসনটি শূন্য ঘোষণা করবেন স্পিকার।
সংসদ সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া বিষয়ে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৭ (২) এ বলা হয়েছে, ‘কোনো সংসদ-সদস্য স্পিকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পিকার- কিংবা স্পিকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পিকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পিকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হবে।’
এর আগে, গতকাল শনিবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশে পদত্যাগের এই ঘোষণা দিয়েছিলেন দলীয় সংসদ সদস্যরা।
সমাবেশে বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ প্রথম ৭ সংসদ সদস্যের পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এরপর অন্য সংসদ সদস্যরা একে একে পদত্যাগের কথা জানান। দেশের বাইরে থাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের হারুনুর রশীদের পক্ষে গোলাম মোহাম্মদ পদত্যাগের কথা জানান।

