‘বিশ্ববাজারে গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহ প্রকাশ করছ ’

আরো পড়ুন

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ মন্তব্য করেছেন, আগে বারবার দরপত্র ডাকা হলেও গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য বিদেশি কোম্পানি আসতে চাইত না। মার্কিন কোম্পানি কনোকোফিলিপস কাজ শুরু করেও চলে গেছে। এখন গ্যাসের দাম বাড়ায় অনেকেই সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহ প্রকাশ করছে।

শনিবার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবন মিলনায়তনে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত ‘জ্বালানি রূপান্তর: বৈশ্বিক প্রেক্ষিত এবং বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

সেমিনারে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, নিজস্ব গ্যাস আহরণে গত ৬ থেকে ৭ মাস ধরেই নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে দিনে অন্তত ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ বাড়বে। এ ছাড়া সম্পদ মজুত রেখে আমদানি করাটা যৌক্তিক হতে পারে না। তাই আগামী বছরের শুরুতেই ভোলার গ্যাস বাইরে আনা হবে। দুই বছর পরপর মহাপরিকল্পনা সংশোধন করতে হবে।

বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, নির্মাণাধীন, পরিকল্পনামতো অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্রই গ্যাসভিত্তিক। গ্যাস থেকে মনোযোগ সরিয়ে অন্য জ্বালানি ব্যবহারের দিকে যেতে হবে। সামনের মহাপরিকল্পনায় এটা গুরুত্ব পাবে। এ ছাড়া রুফটপ সোলারকে (ছাদে সৌরবিদ্যুৎ) আন্দোলনে রূপান্তর করতে হবে।

সেমিনারে নিবন্ধ উপস্থাপন করে ম. তামিম বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারে গতি বাড়াতে হবে। জ্বালানি ঘাটতির জন্য দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে দেওয়া ঠিক হবে না।

জাগো/আরএইচএম

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ