৭১ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র বিলি করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কেন্দ্রীয় সরকারের রোজগার মেলার অঙ্গ হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগপত্র তুলে দেন চাকরিপ্রার্থীদের হাতে।
মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী মোদী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নিয়োগপত্র বিলি করেন। একই সঙ্গে দেশের ৪৫টি জায়গা থেকে হাতে হাতে তুলে দেয়া হয় নিয়োগপত্র। তবে বাদ ছিল গুজরাত এবং হিমাচলপ্রদেশ। এই দুই রাজ্যে নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ রয়েছে। তাই অন্যান্য জায়গা থেকে চাকরির কাগজ তুলে দেয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) সূত্রে খবর, কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই কাজ করা হচ্ছে। এর ফলে প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি হবে। যা আখেরে দেশের অর্থনীতিকে আরো মজবুত করতে প্রত্যক্ষ ভাবে সহায়তা করবে।
গত অক্টোবরেও একইভাবে ৭৫ হাজার নিয়োগপত্র তুলে দেয়া হয়েছিল চাকরিপ্রার্থীদের হাতে। প্রসঙ্গত, এ বছর জুনে মোদী বিভিন্ন সরকারি দফতরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন ‘মিশন মোড’ এ আগামী দেড় বছরের মধ্যে ১০ লাখ নিয়োগ করতে হবে। তারই অঙ্গ হিসেবে রোজগার মেলার মাধ্যমে সরকারি দফতরে শূন্যপদ পূরণের অভিযান।
কর্মসংস্থান নিয়ে বিরোধীদের চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারকে। ২০১৪ এ যখন মোদী ক্ষমতায় আসেন, তার প্রচারে তিনি দাবি করেছিলেন প্রতি বছর লক্ষাধিক কর্মসংস্থান তৈরি করবেন। কিন্তু কর্মসংস্থান যখন তলানিতে, তখন মোদীর দেয়া প্রতিশ্রুতিকেই পাল্টা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্ত্র করে তোলার চেষ্টা করছে বিরোধীরা। এ যাবৎ ভারতের লোকসভা কিংবা বিধানসভা নির্বাচনে কর্মসংস্থান বড় প্রসঙ্গ হয়ে ওঠেনি। যদিও তরুণ সম্প্রদায়ের চাকরি না থাকা যে অত্যন্ত আশঙ্কার, তা নিয়ে দ্বিমত নেই। এই পরিস্থিতিতে ঢাকঢোল পিটিয়ে ৭১ হাজার জনের হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

