গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর নতুন করে চালানো বিমান ও ড্রোন হামলায় একদিনেই অন্তত ৩২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে শিশু, নারী ও বৃদ্ধও রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে, যাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার (৮ আগস্ট) তুরস্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে গাজার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে এসব হামলা চালানো হয়। ফলে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত মোট প্রাণহানির সংখ্যা ৬১ হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে।
গাজার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে একটি আবাসিক ভবনে বোমা হামলায় তিনজনের মৃত্যু হয়। উত্তর গাজার শেখ রিদওয়ান এলাকায় প্রাণ হারিয়েছেন এক বৃদ্ধ ও দুই নারী।
পূর্ব গাজার আল-তুফাহ এলাকায় ড্রোন হামলায় একই পরিবারের ছয় সদস্য—পিতা, মাতা ও চার শিশু—নিহত হন। একই এলাকায় আরও এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় প্রাণ হারান চারজন, যাদের মধ্যে দু’জন শিশু।
দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের একটি বাড়িতে গোলাবর্ষণে পাঁচজন নিহত হন এবং সেখানে আগুন ধরে যায়। ওই শহরের আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের একটি তাঁবুতে ড্রোন হামলায় প্রাণ হারান এক নারী ও তার শিশু। পূর্বাঞ্চলীয় বানি সুহেইলায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন আরও তিনজন বেসামরিক নাগরিক।
এছাড়া, রাফাহ শহরে ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালিয়ে পাঁচজনকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী।
গাজায় চলমান ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গালান্তের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। পাশাপাশি, গাজায় গণহত্যার অভিযোগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলাও

