ইউএনও ওয়াহিদাকে হত্যাচেষ্টা, রবিউলের ১০ বছর কারাদণ্ড

আরো পড়ুন

ঘোড়াঘাট উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা বীরমুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি রবিউল ইসলামের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) সকালে দিনাজপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩ এর বিচারক সাদিয়া সুলতানা এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে কারাদণ্ড ছাড়াও রবিউলের ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রবিউল ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২২ অক্টোবর মামলাটির শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন দায়রা জজ-৩ এর বিচারক বেগম সাদিয়া সুলতানা।

২০২০ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাতে ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদের বরখাস্তকৃত মালি রবিউল ইসলাম তৎকালীন ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে ঢুকে হাতুড়ি দিয়ে তাকে ও তার বাবাকে আহত করে পালিয়ে যায়।

গুরুতর অবস্থায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ ও পরে এয়ার অ্যাম্বলেন্সে ঢাকার জাতীয় নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে নেয়া হয়।

ওই ঘটনার পরদিন ৩ সেপ্টেম্বর ওয়াহিদা খানমের ভাই পুলিশ পরিদর্শক শেখ ফরিদ ঘোড়াঘাট থানায় একটি মামলা করেন। পরে ওই মামলাটি ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ডিবি পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ভীমপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর রবিউলকে গ্রেফতার করে। রবিউল ১২ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আদালতের আদেশে ডিবি পুলিশের হেফাজতে ৯ দিনের রিমান্ডে ছিল। পরে ২০ সেপ্টেম্বর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ২১ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র পেশ করেন তৎকালীন ডিবির ওসি ইমাম জাফর।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে প্রথম থেকে মামলার কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। কিন্তু শেষের দিকে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-৩ আদালতে হস্তান্তর করা হয়। সেখানেই গত ২৬ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্ক শুনানি হয়। মামলায় ৫৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়া হয়।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ