নভেম্বরে আ.লীগের সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন শুরু

আরো পড়ুন

সাংগঠনিক কর্মসূচির রূপরেখা চূড়ান্ত করে নভেম্বর থেকে রাজনীতির মাঠে দলীয় শক্তির মহড়া দিতে চায় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তাই নভেম্বরের মধ্যে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনগুলো সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করছেন দলটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। এরপর জাতীয় সম্মেলনের আগে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগসহ দলের মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলনও ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে চায় দলটি। জেলা সম্মেলন শেষ করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ২০টির অধিক জেলায় তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতারা জানিয়েছেন, ২৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সহযোগী সংগঠনের সন্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করে দেবেন দলের সভাপতি।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ডিসেম্বরে জাতীয় সম্মেলনের আগেই ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবমহিলা লীগ, তাঁতী লীগ, শ্রমিক লীগ, ঢাকা মহানগর যুবলীগের সম্মেলন শেষ করতে চায় সংগঠনটি। এছাড়া মৎস্যজীবী লীগের সম্মেলনও হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

সূত্র জানায়, জাতীয় সম্মেলনের আগে সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলনের মাধ্যমে আগামী জাতীয় নির্বাচনের বার্তা দিয়ে নেতাকর্মীদের মাঠে সরব রাখাই মূল উদ্দেশ্য।

আওয়ামী লীগের এক কেন্দ্রীয় সদস্য জানান, কার্যনির্বাহী বৈঠকের লিখিত এজেন্ডা মূলত ১১টি। এর মধ্যে রয়েছে শোক প্রস্তাব পাঠ, ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস, ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস, ২৭ নভেম্বর শহীদ ডা. মিলন দিবস, ৫ ডিসেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী, ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস, আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল-২০২২। এছাড়া বৈঠকে এজেন্ডা হিসেবে রয়েছে দেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতি ও সাংগঠনিক কার্যক্রম।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, দলের কার্যনির্বাহী বৈঠক ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে দলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনের বিষয় নিয়েও কথা হবে।

দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম বলেন, আওয়ামী লীগের সম্মেলন ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন করা হবে। তাদের সম্মেলন নভেম্বর মাস থেকে শুরু হতে পারে। কার্যনির্বাহী বৈঠকে দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবকিছু চূড়ান্ত করবেন।

প্রসঙ্গত, তিন বছর পর পর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০১৯ সালের ২০ ও ২১ ডিসেম্বর। সে অনুযায়ী ডিসেম্বরের ২৩ তারিখ বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হবে। ইতোমধ্যে দলীয় হাইকমান্ড জানিয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনকে সামনে রেখে বিভিন্ন উপ-কমিটির খসড়া তালিকা প্রণয়ন করতে ইতোমধ্যে দলের দফতরে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ