যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচন: শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

আরো পড়ুন

আগামী সোমবার (১৭ অক্টোবর) প্রথমবারের মতো যশোর জেলা পরিষদে ইভিএমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন ঘিরে শেষ মুহুর্তের প্রচার-প্রচারণা জমে উঠেছে।

তবে এবারে নির্বাচনে আর্দশবান, সৎ ও শিক্ষিত ব্যক্তিকে নির্বাচিত করতে চাইছেন ভোটাররা। ভোটারদের হিসেবে নির্বাচনে এগিয়ে আছেন চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুজ্জামান পিকুল (প্রতীক ঘোড়া মার্কা)। তার ধারের কাছে নেই বিকল্পধারার মারুফ হাসান কাজল (প্রতীক আনারস মার্কা)।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, যশোর জেলায় চেয়ারম্যানসহ ৮টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ৩ সংরক্ষিত (মহিলা) ওয়ার্ড। চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ মোট ৫১ প্রার্থী নির্বাচনী ময়দানে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। আটটি উপজেলার মধ্যে সাতটিতেই ভোটকেন্দ্র করা হয়েছে। শুধুমাত্র সদর উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে যশোর কালেক্টরেট স্কুলে। এদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। মোট এক হাজার ৩১৯ জন ভোটার নির্ধারণ করবে জেলা পরিষদের আগামী নেতৃত্বকে।

জেলা পরিষদের ভোটার মণিরামপুর ঝাঁপা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ভোটার জামাল হোসেন বলেন, সৎ, শিক্ষিত ও যোগ্য ব্যক্তিকে এবারে নির্বাচনে জয়ী করা হবে। সবাই একমত হয়েছি, যে সব প্রার্থীর নির্বাচনের পরে খোঁজে পাওয়া যায় না; তাদেরকে আমরা ভোট দিবো না। একই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ভোটার মাহাবুর রহমান বলেন, সুখে-দুঃখে যে সব মানুষগুলোকে পাশে পাই; শুধু তারাই জনপ্রতিনিধি হওয়ার অধিকার রাখে। আমি সেই প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবো।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুজ্জামান পিকুল বলেন, প্রতিটি ভোটারে দুয়ারে দুয়ারে যাওয়া হয়েছে। তাদের সাথে মতবিনিময় করা হয়েছে। আল্লাহ চাইলে বিপুল সংখ্যক ভোটের ব্যবধান জয়ী হবো।

বিকল্পধারা মারুফ হাসান কাজল বলেন, কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। ভোটরাদের সাড়া পাচ্ছি, ভালো ফলাফল করবো।
অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার আতিকুল ইসলাম ঢাকামেইলকে বলেন, যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে সকল ধরণে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮ থেকে ২টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ