আত্মগোপনে ছিলেন খুলনার নিখোঁজ রহিমা

আরো পড়ুন

টানা ২৮ দিন আত্মগোপনে থাকা রহিমা বেগমকে অবশেষে ফরিদপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান ভূঞা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ সময় গণমাধ্যমের কাছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপির) উপ-কমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল ভিকটিম রহিমা বেগম ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার জনৈক কুদ্দুসের বাড়িতে আছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরে পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে এডিসি, দৌলতপুর থানার ওসিসহ একটি টিম সেখানে যায়। আমরা তদারকি করতে থাকি। রাত পৌনে ১১টার দিকে ফরিদপুর থেকে আমাদের টিম জানায় ভিকটিমকে পেয়েছি। পুলিশ কর্মকর্তারা যখন ওই বাড়িতে যান যেয়ে দেখেন ভিকটিম দুই নারীর সঙ্গে কথা বলছেন। কর্মকর্তারা প্রশ্ন করলে তিনি কথা বলা বন্ধ করে দেন।

যে বাড়িতে রহিমা বেগম অবস্থান করছিলেন সেই বাড়ির বাসিন্দারা পুলিশকে জানান, রহিমা তাদেরকে জানিয়েছেন তিনি বেশ কয়েক দিন চট্টগ্রাম ও মোকসেদপুরে ছিলেন। এরপর ১৭ আগস্ট রহিমা বেগম তাদের বাড়িতে আসেন। তখন তার একটি ব্যাগে দুই প্যাকেট বিস্কুট, কিছু কাগজপত্র ও পরনের কয়েকটি কাপড় ছিল।

রহিমা বেগমকে যে বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেই বাড়ির মালিক কুদ্দুস একসময় খুলনায় রহিমার বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন।

এ দিকে নিখোঁজের ঘটনায় রহিমা বেগমের সন্তানদের মামলায় ৬ জনকে আটক করে পুলিশ। তবে আটকৃতদের পরিবারের সদস্যদের দাবি, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে আত্মগোপন করেছিলেন রহিমা বেগম। বিষয়টি জানতেন তার মেয়ে মরিয়ম মান্নানসহ পরিবারের সদস্যরা।

জাগো/আরএইচএম

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ