বিনোদন কেন্দ্র হচ্ছে যশোরের ভৈরব পাড়ে

আরো পড়ুন

ভৈবর নদের পাশে পার্ক, দুই পাড়ে ওয়াকওয়ে, নির্মল বিনোদনের মনোরম পরিবেশ! এই স্বপ্ন-কল্পনা যশোরবাসীর বহুবছরের। এই স্বপ্নই সত্যি হতে চলেছে। ভৈরব পাড়ে নদকে ঘিরে বিনোদনকেন্দ্র স্থাপনের যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে দড়াটানা ব্রিজ থেকে পর্যন্ত নদের পাড়ে হচ্ছে মনোরম পার্ক। পরবর্তীতে নদের দুইপ্রান্তে দড়াটানা ব্রিজ থেকে বাবলাতলা ব্রিজ পর্যন্ত ১ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো)

সরেজমিনে দেখা যায়, এর মধ্যে যশোরের প্রাণ কেন্দ্র দড়াটানা ব্রিজ থেকে গরীবশাহ (র.) মাজার পর্যন্ত ২০০ মিটারে নদের পাড়ের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। কাজে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ কোটি টাকা। ভৈরব নদের পারে পার্ক নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করেছে যশোরবাসী।

ভৈরব নদের পাড় ঢেউটিন দিয়ে ঘেরা হয়েছে। গরীবশাহ (র.) মাজারে পাশে শ্রমিকদের থাকার জন্য টিনের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। অন্যদিকে মাপা মাপির কাজ শেষে মাটি দিয়ে পাড় বাঁধার কাজ চলছে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হলে শুরু হবে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ।

যশোর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী তাওহীদুল ইসলাম বলেন, ভৈরব নদের দুইপ্রান্তে দড়াটানা ব্রিজ থেকে বাবলাতলা ব্রিজ পর্যন্ত এক কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নিমাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে থেকে চলতি মাসে দড়াটানা ব্রিজ থেকে গরীবশাহ (র.) মাজার পর্যন্ত ২০০ মিটারে নদের পাড়ের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। আর এই কাজের ব্যয় নিধারণ করা হয়েছে ৮ কোটি টাকা। কাজের টেন্ডার পেয়েছে যশোরের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স শামীম চাকলাদার এন্টারপ্রাইজ। ২০২৩ সালের মে মাস নাগাদ কাজ শেষ হবে। তবে জুনের পরে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, ২০০ মিটারে মধ্যে হাটার জন্য রোড থাকবে। পানির ফোয়ারা, বাথরুম, বসার ব্যবস্থা, ফুল বাগান থাকবে। এখানে সাধারণ মানুষ বসে ভালো সময় কাটাতে পারবেন। এটা মটোমুটি ছোট পার্কের মতো হবে।

দড়াটানা ব্যবসায়ী হাসানুর রহমান হাসান বলেন, যান্ত্রিক জীবনে থেকে কিছুটা হলেও ক্লান্তি দূর করবে এই বিনোদন কেন্দ্র। এছাড়াও ভৈরব পাড়ে বসে বিশুদ বাতাস নিতে পারবো; এটা ভেবেই অনেক ভালো লাগছে।

স্কুল শিক্ষক নওমিন আফরিন বলেন, ২০০ মিটার ভৈরব নদের পাড়ের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শুরু হয়েছে, দেখে অনেক ভালো লাগছে। বিনোদন কেন্দ্রটি চালু হলে শহরের মানুষের জন্য অনেক সুবিধা হবে। এখানে বাচ্চাদের জন্যও অনেক সুন্দর জায়গা হবে। বয়স্ক ও তরুণদের সু-স্বাস্থ্যের জন্য হাটা-হাটিতে পার্কটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ