যশোরের শার্শায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী (১৭)। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
আটকরা হলেন উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের বড় নিজামপুর গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী শাহাজাহান মল্লিকের ছেলে হাসান আলী (২০) ও একই গ্রামের রিজাউল করিমের ছেলে মাসুদ (২০)। এ ঘটনায় একই ইউনিয়নের কন্দপপুর গ্রামের ফটিকের ছেলে সাকিব (২৮), জাহানের ছেলে নাসিম হোসেন (২৮) ও মিজান চৌকিদারে ছেলে নুরুজ্জামান (২৭) পলাতক রয়েছে।
গত বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে ১১টার দিকে উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের কর্ন্দপপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পরই ওই এলাকা থেকে দুই অভিযুক্তকে আটক করা হয়। বাকি তিনজন ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় বাড়ি ফাঁকা ছিলো। এ সুযোগে বুধবার রাত ১১টার দিকে হাসান আলী তার বন্ধু মাসুদকে নিয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রীর ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করে। এ সময় সাকিব, নাসিম ও নুরুজ্জামান মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। একপর্যায়ে হাসান ও মাসুদকে মারধর করে আটকে রেখে ওই তিনজন ছাত্রীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। এ সময় স্থানীয়রা আটক হাসান আলী ও মাসুদকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার পর অভিযুক্ত দুই আসামীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীকে পুলিশ প্রহরায় পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরীক্ষার পর তার জবানবন্দির জন্য যশোর আদালতে ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে পলাতক তিনজনকে গ্রেফতার অভিযান চলছে।

