মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার কানুটিয়া বাজারে প্রতিপক্ষের হামলায় আতর লস্কার (৭০) মারা গেছেন।
রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাজারে সদায়রত অবস্থায় প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্মক জখম করে। পরে রাতে ঢাকায় পাঠানো হলে পথেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত আতর লস্কার মহম্মদপুর উপজেলার উরুড়া গ্রামের যদন লস্কারের ছেলে। পুরনো শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।
এদিকে আতর লস্কারের ওপর হামলার বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে রবিবার রাতেই উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত, একটি মোটরসাইকেলে অগ্নি সংযোগ এবং বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে ভাংচুর চালানো হয়েছে। তবে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানান, উরুড়া গ্রামে বিগত ইউপি নির্বাচনে দুই সদস্য প্রার্থী মধ্যকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এলাকায় বিরোধ চলে আসছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তারই জেরে আতর আলিকে পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালায়।
নিহতের বড় ছেলে উজ্জল লস্কর বলেন, আমার বাবা গ্রামে কোনো দলাদলি করে না। তারপরও নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। মৃত্যুর আগে নিহত আতর লস্কার তার উপর হামলাকারীদের নাম পুলিশের কাছে জানিয়েছে বলেও তিনি জানান।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসিত কুমার রায় বলেন, এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

