কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. সেলিমকে (৩৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং হাতে পায়ের রগ কেটে হত্যার করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। সোমবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের মহিষাখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সেলিম কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের মহিষাখোলা গ্রামের মৃত সেকেন আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রং মিস্ত্রি এবং এবং ইট ভাটার শ্রমিক।
২০২০ সালের ৬ মে জমি সংক্রান্ত্র বিরোধের জেরে ওই এলাকায় হুমায়ুন মন্ডল (৪৪) নামের এক ব্যাক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সেই হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন সেলিম। তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে কিছুদিন আগে বাড়িতে আসেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সুত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সেলিম কাজের জন্য কুমারখালী আসছিল। এসময় একই এলাকার প্রতিপক্ষের মো. সাইদুল ইসলাম (৩৫), মো. আসলাম হোসেন (৪০), মো. রাজু আহমেদ (২৫)-সহ বেশ কয়েকজন ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তার হাতের এবং পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়।
পরে পুলিশের সহযোগিতায় সেলিমের স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সকাল ১১টা ১০ মিনিটের দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
নিহতের স্বজনদের দাবি, ভাইকে পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের বেশ কয়েকজন ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে।
কুমারখালী থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। প্রতিপক্ষরা আজ সকালে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

