হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মিন্নির জামিন আবেদন

আরো পড়ুন

ঢাকা অফিস: বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নিহতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে হাইকোর্টে।

গত সপ্তাহে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. শাহীনুজ্জামান।

এ বিষয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. সেলিমের বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি খালাস চেয়ে আপিল আবেদন করেছিলেন। ওই আপিল গত ৪ নভেম্বর শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রায়ে জরিমানা করে দেওয়া অর্থদণ্ড স্থগিত করেছেন আদালত।

৪ নভেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে ওইদিন আপিল আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জেড আই খান পান্না। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার সারোয়ার হোসেন বাপ্পী।

আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান মিন্নির আইনজীবী মাক্কিয়া ফাতেমা ইসলাম। তিনি বলেন, মিন্নির পক্ষে খালাস চেয়ে আজ আপিল কোর্টে উপস্থাপন করা হয়েছিল। আদালত আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন এবং বিচারিক আদালতের দেওয়া ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা অর্থদণ্ড স্থগিত করা হয়েছে। অপর এক আসামি মোহাইমেন ইসলাম সিফাতের আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী, এ মামলার পেপারবুক তৈরি হবে। পেপারবুক তৈরি হলে প্রধান বিচারপতি মামলার শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করেন। তখন এ মামলার আপিল শুনানি শুরু হবে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় ঘোষণা করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ বিচারক মো. আছাদুজ্জামানের আদালত। রায়ে নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জন অভিযুক্তকে ফাঁসির আদেশ দেন আদালত। এছাড়া বেকসুর খালাস দেওয়া হয় এ মামলার অপর চার আসামিকে। বর্তমানে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে মিন্নিকে।

২০১৯ সালের ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রিফাতকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে কিশোর গ্যাং ‘বন্ড বাহিনী’। এরপর বিকেলেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

জাগো/এমআই

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ