সাতক্ষীরায় বোরো ধান সংগ্রহের উদ্বোধন

আরো পড়ুন

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সরকারী খাদ্য গুদামে বোরো ধান, চাল ও গম সংগ্রহ ২০২২ মৌসুমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৬মে) সকালে সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহম্মেদ রবি প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন্ ।

এসময় তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সরকারী খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করতে আসা কৃষক যেন কোনভাবেই হয়রানী না হয় তার জন্য দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সজাগ থাকতে হবে। আপনারা এমন ধরণের চাল গুদামে সরবরাহ করবেন যা দেশের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। তিনি সরকারের খাদ্য শস্য মজুদ সফল ভাবে গড়ে তুলতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার কথা বলেন।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমাতুজ জোহরার সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ জাকির হোসেন, জেলার চালকল মালিক সমিতির সহ-সভাপতি আঃ খালেক, সাধারণ সম্পাদক আঃ গফ্ফার, সদর উপজেলার চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বাবু প্রমূথ ।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে সাতক্ষীরা জেলায় ২৭ টাকা কেজি দরে ১০০০৫ মে. টন ধান সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলা খাদ্যগুদামে ৩০১১ মে. টন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। ৪০ টাকা কেজি দরে জেলার ১৫৮১৭ মে. টন সিদ্ধ চালের সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণপূর্বক অধিদপ্তর হতে বিভাজনপত্র প্রেরণ করা হয়। ঐ পত্রে সদর উপজেলায় ৭২৬২ মে. টন সিদ্ধ চালের লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়। খাদ্য গুদামের তথ্যানুযায়ী গত ২১ এপ্রিল ২০২২ খাদ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের বিভাজনপত্র মোতাবেক ২৮ এপ্রিল ২০২২ হতে আগামী ৩১ আগস্ট ২০২২ পর্যন্ত ধান সংগ্রহের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া সিদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যে জেলার ৩০৯টি চাল কলের সাথে চুক্তির জন্য ৭ মে ২০২২ হতে ১৬ মে ২০২২ পর্যন্ত সময়সীমা বেধে দেয়া হয়। এর মধ্যে ২৯৯টি হাস্কিং এবং ১০টি অটোমেটিক চাল কল রয়েছে। সদর উপজেলায় ১৩৫টি হাস্কিং ও ৫টি অটোমেটিক চালকলের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করে জেলা খাদ্য বিভাগ। ঐ পত্রের সিদ্ধ চালের সংগ্রহের অভিযান ৭ মে ২০২২ হতে ৩১ আগস্ট ২০২২ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। চুক্তিকৃত হাস্কিং চালকলের চাল সর্টিং করে খাদ্যগুদামে সরবরাহ করার কথা। এছাড়া অভ্যন্তরীণভাবে খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা ২০১৭ এর নির্দেশনা মোতাবেক বিনির্দেশ সম্মত চাল সংগ্রহ নিশ্চিত করার কথা রয়েছে। এতে কোন ধরণের অনিয়ম হলে ক্রয় অথবা মূল্য পরিশোধকারী কর্মকর্তা সরাসরি দায়ী থাকবেন বলে উল্লেখ করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শিবপুর গ্রামের কৃষক মধু সরকারের নিকট থেকে ৩ মেঃ টন ধান এবং সাথী রাইচ মিলের মালিক আঃ রশিদের নিকট থেকে ২০ মে. টন উত্তমভাবে ছাটাইকৃত চাল সংগ্রহ করেন।

জাগো/এমআই

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ