ঈদের বাকি আট দিন, শেষ সময়ে কেনাকাটায় ব্যস্ত যশোরবাসী

আরো পড়ুন

ঈদের এখনো আট দিন বাকি। শপিং মল আর বিপণী বিতানে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। শেষ সময়ে নিজের ও প্রিয়জনদের পোশাক কেনার পর্ব সেরে ফেলতে চাইছেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। ফলে যশোরের মার্কেটপাড়ায় ছড়িয়েছে ঈদের আমেজ। আর গতকাল শুক্রবার ছিলো সাপ্তাহিক ছুটির দিন। কর্মব্যস্ততা না থাকায় এদিন অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে বের হন ঈদ কেনাকাটায়। তাই ছুটির দিনে জমে উঠেছিল ঈদ বাজার।

সকাল তখন প্রায় পৌনে দশটা। যশোর শহরের সবচে বড় মার্কেটপাড়া এইচএমএম সড়কের বিপণীগুলোয় চলছে হাঁকডাক ছেড়ে জামাকাপড় কেনাবেচা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সড়কটি মানুষের ভিড়ে উপচে পড়ে। এক পর্যায়ে সড়কটিতে মানুষের এত পরিমাণ চাপ বাড়ে যে ভিড়ে পা ফেলানো দায় হয়ে পড়ে। জুম্মার নামাজের পর থেকে আবারো শহরময় মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। বিকেলের দিকে পোশাকের দোকানপাট মুখর হয়ে ক্রেতাদের পদচারণায়। কিন্তু সন্ধ্যায় ইফতারের আগে বৃষ্টিতে লোকসমাগম কমে যায়। মার্কেটপাড়ার শপিংমল আর বিপণী বিতানে চলে ছুটির দিনের ধুন্দুমার বেচাকেনা। শহরের কালেক্টরেট মার্কেট, বড় বাজার, সিটি প্লাজা, জেস টাওয়ার, মুজিব সড়ক ভিআইপি মার্কেটসহ সব মার্কেটের দৃশ্যই ছিল এমনটাই। এমনকি ফুটপাত, রাস্তার পাশের দোকানেও ক্রেতার কমতি ছিল না। সকালের দিকে শহরের এইচএমএম সড়কে গিয়ে দেখা যায় বেচাকেনার জমজমাট দৃশ্য।

এদিকে বিকেলের দিকে কালেক্টরেট মার্কেটে গিয়ে দেখা গেছে, ক্রেতাদের ভিড়। এখানকার দোকানদার যেন দম ফেলার ফুরসত পাচ্ছিলেন না। এ মার্কেটে আলাপ হয় স্কুল শিক্ষক আজিজুল হকের সাথে। এখানকার একটি তৈরি পোশাকের দোকান আদিত্য ফ্যাশান থেকে ছেলেকে সাথে নিয়ে পোশাক কিনছিলেন তিনি। আলাপকালে বলেন, ‘সপ্তাহের অন্যান্য দিনে কাজের চাপ অনেক বেশি থাকে। এজন্য কেনাকাটার জন্য সময় বের করা হয়ে ওঠে না। ছুটির দিন। এজন্য ছেলের ও নিজের জন্য ঈদের কেনাকাটা সেরে ফেলছি।

এসময় আদিত্য ফ্যাশানের বিক্রয়কর্মী মনিরুল ইসলাম জানান, অন্যান্য দিনের তুলনায় শুক্রবার ক্রেতাদের চাপ অনেক বেশি। ক্রেতা সামলাতে অনেকটাই হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাকি কয়েক দিনে ভিড় আরো বাড়বে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ