জাগো বাংলদেশ ডেস্ক: বাগেরহাটের চিতলমারীতে জবরদখল বাজদের হামলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৪ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত সুশান্ত বৈরাগী (৬০) ও তার স্ত্রী নীলিমা বৈরাগীকে (৫৫) চিতলমারী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তীব্র খাবার পানির সংকট মেটাতে চাঁদা তুলে টিউবওয়েল বসাতে গিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এসব লোকেরা হামলার শিকার হন।
উপজেলার ঘোড়া দাইড় গ্রামে শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা শনিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে জানান, উপজেলার ঘোড়াদাইড় গ্রামের কার্তিক ভদ্রর ১৩ শতাংশ ফসলী জমি একই এলাকার সাহেব আলী শরীফ ভূয়া দলিল মূলে ৫/৬ মাস পূর্বে জবর-দখল করে। ওই সময় কার্তিক ভদ্র মোল্লাহাট থানা ও ভূমি অফিসে অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে ভূমি অফিস কর্তৃক কাগজপত্র পর্যালোচনায় সাহেব আলী শরীফের দলিল ভূয়া প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ওই জমির দখল ছেড়ে দিতে বলে।
কার্তিক ভদ্রর আপনজনরা শুক্রবার ওই জমির পাকা সরিষা তুলতে গেলে ভূমি অফিসের সিদ্ধান্ত অমান্য করে তাদেরকে হামলা করে সাহেব আলী শরীফের নেতৃত্বে ৬/৭ জনের একদল দুবৃর্ত্তরা। ওই সময় আত্মরক্ষার্থে দৌড়ে বাড়িতে চলে যায় প্রকৃত জমির মালিক পক্ষ। তখন ধাওয়া করে ওই বাড়িতে গিয়ে পুরুষ-মহিলা সকলকে বেধড়ক মারপিট করে সাহেব আলী শরীফের নেতৃত্বে তার ছেলে ও নাতিরা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, তাদের জমি ভূয়া দলিলের মাধ্যমে জোর-দখল করছে সাহেব আলী শরীফ। এ হামলার ঘটনায় ওই হিন্দু সম্প্রদায় চরম ভীত অবস্থায় রয়েছে।
এ বিষয়ে মোল্লাহাট থানার ওসি সোমেন দাস বলেন, ক্ষতিগ্রস্থরা থানায় অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জাগোবাংলদেশ/এমআই

