ডেস্ক রিপোর্ট: পঞ্চম ধাপে যশোরের সদর ও কেশবপুরের ২৬ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শান্তিপর্ণ ভোট শুরু হয়েছে। বুধবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া এই ভোট শুরু হয়। এর আগে মঙ্গলবার কেন্দ্রে কেন্দ্রে নির্বাচনী সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়। আর আজ ভোটের দিন সকালে দেয়া হয় ব্যালট।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ২৬ ইউনিয়নে ২২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে আছেন। প্রয়োজনে আনসার ও পুলিশের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন তারা।
একই সাথে দায়িত্বে থাকবেন দুই হাজার ৮৩৫ পুলিশ ও পাঁচ হাজার ৪১৮ আনসার সদস্য। এছাড়া স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে ১০ প্লাটুন বিজিবি সদস্য নিয়োজিত থাকবে।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, যশোর সদরের ১৫টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮১ জন। এছাড়া ১৮৫ জন সংরক্ষিত নারী এবং ৭০১ জন সাধারণ সদস্য (মেম্বার) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কেশবপুরে ১১ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৪৮ জন। তাছাড়া ১২২জন সংরক্ষিত নারী এবং ৩৯৩ জন সাধারণ সদস্য পদে লড়ছেন। সবমিলে দুই উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নে ১২৯ জন চেয়ারম্যান, ৩০৭ জন সংরক্ষিত নারী এবং এক হাজার ৯৪ জন সাধারণ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোট সম্পন্ন করতে যশোর সদরের ১৫টি ইউনিয়নে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ২১৫টি। আর কক্ষ সংখ্যা আছে এক হাজার ১৬৬টি। এখানে ২১৫ জন প্রিজাইডিং, এক হাজার ১৬৬ জন সহকারী প্রিজাইডিং ও দুই হাজার ৩৩২ জন পোলিংসহ মোট তিন হাজার ৭১৩ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।
অপরদিকে কেশবপুরের ১১ ইউনিয়নের ১০৪টি কেন্দ্রে কক্ষ রয়েছে ৫০৮টি। এখানে মোট এক হাজার ৬২৮ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন অফিস সূত্রে আরো জানা গেছে, যশোর সদরে মোট চার লাখ ২১ হাজার ৭৩১ জন ভোটার রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই লাখ ১২ হাজার ৭৫৮ জন পুরুষ এবং দুই লাখ আট হাজার ৯৭৩ জন নারী ভোটার রয়েছেন। তাছাড়া কেশবপুরে মোট ভোটারের সংখ্যা এক লাখ ৮৫ হাজার ৯৬৫ জন। এরমধ্যে ৯৪ হাজার ২০৮ জন পুরুষ এবং ৯১ হাজার ৭৫৭ জন নারী ভোটার রয়েছেন।
যশোরের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকেই নির্বাচন অফিস থেকে স্ব স্ব কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনী দায়িত্বরত কর্মকর্তারা আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর তত্ত্বাবধানে সেগুলো কেন্দ্রে নিয়ে যান। বুধবার সকালে ভোট শুরুর আগেই ব্যালোটপেপার স্ব স্ব ভোট কক্ষে পৌঁছে দেয়া হবে। যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দুটি উপজেলাতে ১৪টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। কেন্দ্রে দায়িত্বের পাশাপাশি পুলিশের ১০৪টি মোবাইল টিম ও ২২টি স্ট্রাইকিং টিম নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে। আমরা সব ধরণের প্রস্তুতি শেষ।
জাগোবাংলাদেশ/এসএ

