বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর বাসের সাথে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিয়ের আনন্দ বিষাদে রূপ নেওয়া এই দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি তিনি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই তিনি স্থানীয় প্রশাসনের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং উদ্ধার অভিযানসহ সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিচ্ছেন। শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি প্রার্থনা করেন।
একই সাথে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং জলবায়ু, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার শেখ ফরিদুল ইসলাম।
প্রশাসনের পদক্ষেপ: এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ও পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী। তারা উদ্ধার কাজ তদারকি করার পাশাপাশি শোকাতুর পরিবারগুলোকে সান্ত্বনা দেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ঘটনায় রামপাল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘাতক বাস ও ক্ষতিগ্রস্ত মাইক্রোবাসটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।
একই পরিবারের এতগুলো মানুষের মৃত্যুতে এলাকায় এখন শোকের স্তব্ধতা বিরাজ করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের দাফন ও আহতদের সুচিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
রামপালে শোকের ছায়া: প্রধানমন্ত্রীর সমবেদনা ও প্রশাসনের তৎপরতা

