ভয়াবহ ভূমিকম্পের ঝুঁকি ও পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজধানী ঢাকায় জরুরিভিত্তিতে ১ লাখ দক্ষ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে দুর্যোগকালীন দ্রুত আশ্রয়ের জন্য রাজধানীর সব খেলার মাঠ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
রোববার (১ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
ত্রাণমন্ত্রী জানান, ঢাকা বিশ্বের অন্যতম জনবহুল ও অপরিকল্পিত নগরী হওয়ায় বড় ধরনের ভূমিকম্পে উদ্ধারকাজ চালানো একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী ১ লাখ প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন।
তিনি বলেন:
> “যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে এই বিশাল স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী যেন তাৎক্ষণিক সাড়া দিতে পারে এবং সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, আমরা সেই ব্যবস্থাই গ্রহণ করছি।”
>
খেলার মাঠ ও স্কুল হবে আশ্রয়কেন্দ্র
দুর্যোগের পরপরই মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। মন্ত্রী জানান, জনাকীর্ণ এই শহরে খোলামেলা জায়গা হিসেবে স্থানীয় খেলার মাঠ ও স্কুলগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এতে করে আতঙ্কিত মানুষ দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার সুযোগ পাবে।
পরবর্তী পদক্ষেপ ও কর্মপরিকল্পনা
মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু করেছে। এ বিষয়ে অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে ত্রাণমন্ত্রী জানান:
* ১১ মার্চ, ২০২৬: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরবর্তী ফিরতি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
* চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: ঐ বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনার পর স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে চূড়ান্ত রূপরেখা ঘোষণা করা হবে।
রোববারের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।?

