বেনাপোল দিয়ে ২০ দিনে ২১০০ টন চাল আমদানি

আরো পড়ুন

বেনাপোল প্রতিনিধি: দেশের বাজারে চালের ঊর্ধ্বগতি রুখতে সরকারি শুল্কমুক্ত সুবিধায় ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ১৫টি চালানে মোট ২ হাজার ১০০ টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে। সরকারের দেওয়া বিশেষ আমদানির অনুমতি (আইপি) ও শুল্ক ছাড়ের ফলে এই আমদানি কার্যক্রম গতি পেয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন জানান, গত ২০ দিনে ৫৮টি ট্রাকে করে এই চালের চালানগুলো খালাস করা হয়েছে। তিনি বলেন, “রমজান ও বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে এই বন্দর দিয়ে ৬ হাজার ১২৮ টন চাল আমদানি হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ বিরতি শেষে চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি আমদানিকারকদের ২ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এই আমদানিকৃত চাল আগামী ৩ মার্চের মধ্যে বাজারে বাজারজাত করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স ও মেসার্স ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ সূত্রে জানা গেছে:
বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত প্রতি কেজি চালের খরচ পড়ছে ৫০ টাকা।
: আমদানিকারকরা এই চাল বাজারে প্রতি কেজি ৫১ টাকা দরে বিক্রির পরিকল্পনা করছেন।

বেনাপোল উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, সরকারের নতুন অনুমতির পর আমদানিকারকরা দ্রুত চাল আনা শুরু করেছেন। সংগনিরোধ পরীক্ষার পর চালের গুণগত মান নিশ্চিত করে দ্রুত ছাড়পত্র প্রদান করা হচ্ছে।
: আমদানিকৃত এই চাল বাজারে আসতে শুরু করলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চালের দাম নেমে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট বাজার বিশ্লেষকরা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ