বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে তরুণদের প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে

আরো পড়ুন

| ঢাকা সমাজে ক্রমবর্ধমান বৈষম্য ও অসহিঞ্চুতা মোকাবিলায় তরুণ সমাজকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্প্রতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মানুষের সংস্কৃতি, পরিচয় বা শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে কেন্দ্র করে কাউকে হেয় করা গ্রহণযোগ্য নয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতিগত সংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী এবং সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঠিক প্রতিনিধিত্ব ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে একটি ‘সমন্বিত নীতিমালা’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই নীতিমালার মূল লক্ষ্য হলো সমাজের প্রতিটি স্তরে বৈষম্য দূর করে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা।
একমাত্রিক চিন্তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ডাক
আলোচনায় বক্তারা উল্লেখ করেন, বর্তমানে সমাজে অসহিষ্ণুতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। নাচ, গান, সংস্কৃতি কিংবা কারো ব্যক্তিগত পরিচয়ের কারণে তাকে তুচ্ছজ্ঞান করা এক ধরণের সংকীর্ণতা। এ ধরণের ‘একমাত্রিক চিন্তাভাবনা’র বিরুদ্ধে তরুণদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের (বিএনসিইউ) ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল সারভীনা মনি-র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
* রেহানা পারভীন: সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং সেক্রেটারি জেনারেল, বিএনসিইউ।
* সুজান ভাইজ: হেড অব অফিস, ইউনেস্কো বাংলাদেশ (সম্মানিত অতিথি)।
বক্তারা একটি বহুত্ববাদী ও সহনশীল সমাজ গঠনে শিক্ষা এবং সংস্কৃতির মেলবন্ধনের ওপর জোর দেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ