যশোর শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া এলাকায় গোলাম রসুল (২৮) নামে এক যুবককে গলা কেটে ও পেটে ছুরিকাঘাত করে নৃশংসভাবে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে। জীবন বাঁচাতে গুরুতর জখম অবস্থায় নিজের গলায় গামছা পেঁচিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় নিজেই হাসপাতালে পৌঁছে অলৌকিকভাবে বেঁচে আছেন ওই যুবক।
আহত গোলাম রসুল যশোর সদর উপজেলার বেনেয়ালি গ্রামের নেছার উদ্দিনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে বারান্দী মোল্লাপাড়া এলাকায় সন্ত্রাসীরা তাকে একা পেয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শ্বাসনালী কাটার চেষ্টা করা হয় এবং পেটে গভীর জখম করা হয়।:
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রক্তাক্ত অবস্থায় গোলাম রসুল যখন যশোর জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছান, তখন তিনি কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলেন। চিকিৎসকদের দেওয়া একটি চিরকুটে তিনি কোনোমতে লিখে জানান যে, আমিন নামে এক ব্যক্তি তাকে জখম করেছে এবং ঘটনাস্থলে তপু ও সবুজ নামে আরও দুইজন উপস্থিত ছিল। চিরকুটে তিনি একটি মোবাইল নম্বরও লিখে দেন।:জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যুবকের ক্ষত অত্যন্ত গভীর। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার গলা ও পেটের নাড়িভুঁড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল সংবাদমাধ্যমকে জানান, হামলার খবর পেয়েই পুলিশ কাজ শুরু করেছে। ভুক্তভোগীর লিখে যাওয়া চিরকুটের সূত্র ধরে অভিযুক্ত আমিন ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই হামলা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
> বিশেষ দ্রষ্টব্য: যশোরের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুতই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

