বেনাপোলের গরু ব্যবসায়ী কসাই মিজানুর রহমানকে জবাই করে হত্যার পাঁচ দিন পার হলেও ঘটনার রহস্য এখনও উদঘাটিত হয়নি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, হত্যার রাতে তাঁর বাড়িতে কেউ প্রবেশ করেনি। ফলে গভীর রাতে কীভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটল তা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।
স্থানীয়রা বলছেন, মিজানের বাড়ি নিরাপত্তা বেষ্টিত ছিল এবং ওই রাতে তিনি ছাড়া কেউ বাড়িতে প্রবেশ করেনি। তারা ধারণা করছেন, হয়তো হত্যার আগে মিজানকে চেতনানাশক খাইয়ে অচেতন করা হয়েছে।
মিজানের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন জানিয়েছেন, রাত ১১টার দিকে মিজান বাড়িতে প্রবেশ করে গেটের তালা লাগান। খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমাতে যান। ভোরে ভ্যানওয়ালার ডাকাডাকিতে ঘুম থেকে উঠে বাইরে দেখেন, বাড়ির গেট থেকে তিন গজ দূরে রক্তাক্ত অবস্থায় মিজান liegen। তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন এক ব্যক্তি তাদের কাছে ৮০ হাজার টাকা দাবি করেন।
মিজানের মেয়ে ফাতেমা বেগম বলেন, “আমাদের সংসারে কোনো ঝামেলা ছিল না। বাবাকে কারা হত্যা করেছে, আমরা তার বিচার চাই।”
হত্যার পরদিন বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মিলন হোসেন ও মানিক মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং মিজানের ছেলে মুরসালিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মুরসালিন জানান, রাত ১২টা পর্যন্ত তিনি বন্ধুদের সঙ্গে মোবাইলে গেম খেলছিলেন। পুলিশ পরে তার বন্ধুকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই রাশেদ আলি বলেন, “মেডিকেল রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত নিশ্চিত কিছু বলা যাবে না। রিপোর্ট পাওয়ার পর তদন্ত আরও অগ্রসর হবে।”?

