বেনাপোল পোর্ট থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মুকুল হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার মধ্যরাতে বেনাপোল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে একটি গোপন বৈঠকের সময় তাকে আটক করা হয়। পরদিন শনিবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতা আবেদার রহমান বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেছেন। তার অভিযোগ, বৈঠকে উপস্থিতরা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ব্যাহত করা, আইন-শৃঙ্খলা অবনতির চেষ্টা এবং জনমনে ভীতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছিল।
স্থানীয়দের দাবি, মুকুল হোসেন একসময় ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন মন্ত্রী-এমপির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন এবং তাদের ছবি ব্যবহার করে লিফলেট ও পোস্টার ছাপিয়ে প্রচারণা চালাতেন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর তিনি গোপনে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরণ করতে বেনাপোলে আসেন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।
পোর্ট থানার ওসি রাসেল মিয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পাওয়া যায় যে মুকুল হোসেনের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে ২৫-৩০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছে। পুলিশ অভিযান চালালে অন্যরা পালিয়ে যায়, তবে স্থানীয়দের সহায়তায় মুকুল হোসেনকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে হাতুড়ি ও কাঠের স্টাম্প উদ্ধার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মুকুল হোসেন যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দীনের অনুসারী এবং সাবেক শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকুল হোসেনের ছোট ভাই।

