দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। ইতোমধ্যে ধান রোপণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের বীজ, পর্যাপ্ত সার ও কীটনাশক সরবরাহ নিশ্চিত করায় এবার উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং কোনো বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
পলোগাড়ী গ্রামের কৃষক আব্দুল বলেন, “এবার পানি ও আবহাওয়া ভালো ছিল, এখন শুধু ভালো ফলনের অপেক্ষা। যদি ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায়, তাহলে আরও বেশি কৃষক ধান চাষে আগ্রহী হবেন।”
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রফিকুজ্জামান জানান, চাষিদের ব্রি-৫১, ৫২, ৭৫, ৩৪ ও ১০৩ এবং বিনা-১৭ ও ২০ জাতের উচ্চফলনশীল ধান চাষে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। এসব জাত রোগ প্রতিরোধে সক্ষম এবং অধিক ফলনশীল। কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন এবং সরঞ্জাম সরবরাহেও কোনো ঘাটতি নেই।
তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা পোকামাকড়ের আক্রমণ মোকাবিলায় কৃষি বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে এবং মাঠে সক্রিয়ভাবে কৃষকদের পাশে।

