ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে ‘জুলাই আন্দোলনের’ শহীদ ফারহান ফাইয়াজসহ অন্যান্যদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, “আমরা থাকতে জুলাই আন্দোলনের খুনিদের এই দেশে কোনো ঠাঁই হবে না।”
শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, “যতদিন দেশ সঠিক পথে না ফিরবে, ততদিন তরুণদের আন্দোলন চলতেই থাকবে। আর যদি আমরা ব্যর্থ হই, তাহলেও ফারহান ফাইয়াজের মতো সাহসী তরুণদের হাত ধরেই দেশ এগিয়ে যাবে। আমাদের যদি ইতিহাসের অন্ধকারে নিক্ষেপও করা হয়, তরুণ প্রজন্ম তাদের আলো নিজেই খুঁজে নেবে।”
শফিকুল আলম ‘জুলাই আন্দোলন’-কে গণবিপ্লব হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “এটি তরুণদের জাগরণ। এ প্রজন্মই বাংলাদেশের গোল্ডেন জেনারেশন, যারা সংকটের মধ্যেও আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে। দেশ সত্যিই ভাগ্যবান এমন সাহসী প্রজন্ম পেয়েছে।”
ফারহান ফাইয়াজ হত্যাকাণ্ড নিয়ে তিনি বলেন, “তার হত্যার সঙ্গে জড়িতদের একজনকে ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। এখনো খুনিরা দম্ভে মুখ খুলছে, কিন্তু আমরা নিশ্চিত করছি—তাদের জন্য এ দেশে কোনো জায়গা থাকবে না। শহীদরাই ভবিষ্যতের দিশা দেখায়।”
অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার বলেন, “জুলাই আন্দোলন একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও সংগঠিত গণজাগরণ, যা এখনো পূর্ণাঙ্গ ইশতেহার ছাড়াই সমাজে প্রবল দাগ রেখে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “ফারহান হয়তো নেতৃত্বের আসনে আসেনি, কিন্তু সে ছিল এই বিদ্রোহের প্রতীক। যদি সে বেঁচে থাকত, তাহলে আজ শহীদ পরিবারগুলো ন্যায়বিচারের জন্য এতটা হাহাকার করত না।”

