ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পাল্টা জবাব হিসেবে ‘বুনিয়ান-উন-মারসুস’ নামের একটি সামরিক অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের আওতায় ভারতজুড়ে চালানো হচ্ছে একাধিক ড্রোন হামলা।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাত দিয়ে জানা গেছে, জম্মু ও কাশ্মীর থেকে গুজরাট পর্যন্ত অন্তত ২৬টি স্থানে নতুন করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাশ্মীরের শ্রীনগর বিমানবন্দরের কাছে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিশ মিনিটের ব্যবধানে পাঁচবার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এছাড়া উধমপুর ও পাঞ্জাবের পাঠানকোট এলাকাতেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, এসব এলাকায় ভারতের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা স্থাপনা অবস্থিত, যেগুলো ধ্বংসের দাবি করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনী আরও দাবি করেছে, তারা ভারতের আধুনিক এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। যদিও ভারত এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
সামরিক হামলার পাশাপাশি সাইবার হামলার অভিযোগও উঠেছে। পাকিস্তানি হ্যাকাররা ভারতের বিজেপি দলসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ওয়েবসাইটে সাইবার হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের বিদ্যুৎ পরিবহন সংস্থার ওয়েবসাইট হ্যাক করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে, যার ফলে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে।
জিও টিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের হামলায় ভারতের বাথিন্ডা বিমানঘাঁটি ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া উরি ফিল্ড সরবরাহ ডিপো ও সিরসা বিমানঘাঁটিও ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা। পাকিস্তান আরও জানিয়েছে, তারা ভারতের একটি সামরিক স্যাটেলাইট অকেজো করে দিয়েছে।
রাজৌরি এলাকায় ভারতীয় সামরিক গোয়েন্দা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও ধ্বংসের দাবি করেছে ইসলামাবাদ। অন্যদিকে, পাকিস্তান দাবি করেছে, ভারত তাদের রাওয়ালপিন্ডি, চাকওয়াল এবং শোরকোটের বিমানঘাঁটিতে হামলা চালালেও তা প্রতিহত করা হয়েছে এবং কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

