ইউটিউবার রাভিনার প্রেমঘটিত সম্পর্কে খুনের চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে হরিয়ানার হিসার থেকে। বারবার স্বামীর আপত্তি উপেক্ষা করে প্রেমিক সুরেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন রাভিনা। স্বামী প্রবীণের সঙ্গে প্রায়ই তার সোশ্যাল মিডিয়া কর্মকাণ্ড ও প্রেমিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ঝগড়া হতো।
গত ২৫ মার্চ রাতে প্রবীণ বাড়িতে ফিরে স্ত্রী রাভিনা ও তার প্রেমিক সুরেশকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। তীব্র বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে রাভিনা তার ওড়না দিয়ে স্বামীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর প্রেমিক সুরেশের সহায়তায় প্রবীণের মরদেহ মোটরসাইকেলে করে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে একটি ড্রেনে ফেলে আসেন তারা।
ঘটনার পর রাভিনা তার স্বামীর নিখোঁজ হওয়া নিয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি করলেও তদন্তে বেরিয়ে আসে প্রকৃত সত্য। ঘটনার তিন দিন পর, ২৮ মার্চ ড্রেন থেকে পচা অবস্থায় একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একটি মোটরসাইকেলে হেলমেট পরা এক ব্যক্তি ও মুখ ঢেকে থাকা এক নারী মাঝখানে একটি মরদেহ নিয়ে যাচ্ছে।
এই ফুটেজের ভিত্তিতে পুলিশ রাভিনা ও সুরেশকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে, যেখানে তাদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়া হয়। জানা গেছে, রাভিনা ও সুরেশের পরিচয় হয়েছিল ইনস্টাগ্রামে, এবং প্রায় দেড় বছর ধরে তারা প্রেমে জড়িয়ে একসঙ্গে শর্ট ভিডিও ও ডান্স রিল বানাতেন।
রাভিনার ইনস্টাগ্রামে প্রায় ৩৪ হাজার ফলোয়ার রয়েছে এবং তার ইউটিউব চ্যানেলেও জনপ্রিয়তা ছিল। তবে এই অনলাইন দুনিয়ার পেছনের অন্ধকার অধ্যায়টি শেষ পর্যন্ত রক্তাক্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যায়। বর্তমানে রাভিনা ও প্রবীণের ছয় বছরের সন্তান রয়েছে দাদা সুভাষ ও চাচা সন্দীপের হেফাজতে।

