মাড়ুয়া ৷ স্কুল এন্ড কলেজের কমিটি গঠনে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগ

আরো পড়ুন

যশোরের চৌগাছায় মাড়ুয়া ইউছুপ খান স্কুল এন্ড কলেজের এডহক কমিটি গঠনে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এলাকাবাসী এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

অভিযোগপত্রের তথ্য অনুযায়ী, জামায়াত নেতা ইউসুফ আলী কলেজটির সভাপতি হতে আগ্রহী ছিলেন এবং প্রধান শিক্ষকের কাছে নিজের ইচ্ছার কথা জানান। তবে প্রধান শিক্ষক তাকে জামায়াতে ইসলামীর সুপারিশ আনতে বলেন। ইউসুফ আলী জেলা জামায়াতের প্যাডে সুপারিশপত্র আনলেও তার নাম সভাপতি প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো তিনজন প্রার্থীর সবাই আওয়ামী লীগপন্থী, যার মধ্যে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম৷ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান তবিবর রহমান খানের ভাতিজি। অভিযোগকারীদের দাবি, তবিবর রহমান এলাকার রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রাখতে প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীদের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন।

সভাপতি পদপ্রার্থী আমির হোসেন অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক তাকে সুপারিশপত্র জমা দিতে বলেন। তিনি উপজেলা বিএনপির সুপারিশপত্র ও মাস্টার্সের সনদ জমা দিলেও তার নাম চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়নি। তিনি এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি কোনো দলীয় বিবেচনায় তালিকা দেইনি। যাদের নাম পাঠানো হয়েছে, তারা নিয়মিত প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম জানান, “বিষয়টি সম্পর্কে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ