দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) যশোর সদর আমলী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম কিবরিয়া তার জামিন মঞ্জুর করেন। তবে অন্য মামলার কারণে তাকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর সদর কোর্টের জিআরও খাইরুল ইসলাম।
আদালত সূত্র জানায়, শহিদুল ইসলাম মিলন ঢাকা কেরানীগঞ্জ কারাগারে একটি মামলায় আটক ছিলেন। যশোরের এই দুই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে আদালতে আনা হয়। এরপর তার আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, সাবেক নারী ও শিশু পিপি মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল একটি মামলায় অভিযোগ করেন, জেলা আইনজীবী সমিতির দ্বিতীয় ভবনের সামনে ফুটপাত ব্যবসার বিরোধ মীমাংসার জন্য স্থানীয় পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়িতে গেলে শহিদুল ইসলাম মিলন সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং হত্যার হুমকি দেন। এ বিষয়ে গত বছরের ১১ জুন কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়।
অন্য একটি মামলায় অভিযোগ ওঠে, ২০২২ সালের ২৭ জুন যশোর সদর উপজেলার হামিদপুর গ্রামের আসাদুজ্জামানের বাড়ি ভাঙচুর, ১০ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য সম্পদ লুট এবং জায়গা দখলের চেষ্টা করেন শহিদুল ইসলাম মিলন।
তবে, মামলাগুলোর পর তিনি পলাতক ছিলেন এবং সরকার পরিবর্তনের পর যশোর ত্যাগ করেন। গত বছরের ৩ অক্টোবর ঢাকায় তাকে আটক করা হয়। যশোরের মামলায় জামিন পেলেও ঢাকার মামলার কারণে তিনি এখনো কারাগারে আছেন।

