নিহতের স্ত্রী ওজুলা বেগম জানান, রাত ১২টার দিকে ৩০-৪০ জন ব্যক্তি তাদের বাড়িতে ঢুকে কওসারকে তুলে নিয়ে যায় এবং পরে রেললাইনের পাশে পিটিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কোটচাদপুর থানার ওসি কবির হোসেন মাতুববর জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। স্থানীয়রা জানান, কওসার আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানি করতেন। তার বিরুদ্ধে জামায়াত নেতা এনামুল হত্যা মামলাও রয়েছে।

