বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গে ব্রিটেনের প্রশান্ত মহাসাগর বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাথরিন ওয়েস্ট আজ এক মন্তব্য করেছেন। রবিবার সকালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার যদি তারেক রহমানকে ফেরত চায়, তবে ব্রিটেন এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
ক্যাথরিন ওয়েস্ট আরও জানান, বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়নি। তবে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করার প্রত্যাশা করে। ব্রিটিশ মন্ত্রী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্র নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং রাজনৈতিক লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ড. ইউনূস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রূপরেখা ঘোষণা করবেন বলে ব্রিটেন আশা করছে।
তারেক রহমান ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আটক হন। জামিনে মুক্তির পর ২০০৮ সালে লন্ডনে যান এবং সেখান থেকেই বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ২০১৮ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের পর তারেক রহমান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন।
শেখ হাসিনার সরকার তারেক রহমানকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় অভিযুক্ত করে এবং আদালত তার বিরুদ্ধে শাস্তি ঘোষণা করে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই তার দেশে ফেরার গুঞ্জন নতুন করে জোরদার হয়েছে।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।

