যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে টিকিট কাউন্টার থেকে হিসাব সহকারী কামাল হোসেন টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কর্মচারীদের বাধার মুখে টাকা ফেরত দিয়ে দ্রুত হাসপাতাল ত্যাগ করেন তিনি। কামাল হোসেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেকের ছেলে।দুপুরে হাসপাতালের বহির্বিভাগ রোগীতে পরিপূর্ণ ছিল। এ সময় টিকিট কাউন্টারে কর্মরত কর্মচারীরা টিকিট বিক্রিতে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ কামাল হোসেন নিচে নেমে টিকিট কাউন্টারে এসে কর্মচারীদের সামনে থেকেই ক্যাশ থেকে ৬ হাজার ৪৬০ টাকা নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কর্মচারীদের বাধা দেওয়া সত্ত্বেও তিনি তাদের সরিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেন।
পরে কর্মচারীরা তাকে আটক করে তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হারুন-অর-রশীদের কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানেই তিনি ছিনতাই করা টাকার মধ্যে ৫ হাজার ৯৫০ টাকা ফেরত দেন। বাকি ৫১০ টাকা ফেরত না দিয়ে তিনি সেখান থেকে চলে যান।
প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া:
তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হারুন-অর-রশীদ বলেন, “কামাল সম্ভবত মানসিক চাপের কারণে এ কাজ করেছেন। তার বাবা কারাগারে থাকায় এবং হয়তো মাদকাসক্তির প্রভাবেও এমনটি ঘটতে পারে।”
কামালের বক্তব্য:
কামাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এটা বড় কিছু নয়। সবাই চুপ থাকুন, সব ঠিক হয়ে যাবে।”
পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ:
কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে এর আগেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তিনি নিয়মিত অফিস না করে ইচ্ছেমতো উপস্থিত হন বলে জানা গেছে। এমন একজন কর্মচারীর এমন আচরণে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এই ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি, যা সাধারণ মানুষকে হতাশ করেছে।

