বঙ্গোপসাগরে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’ আঘাত হানতে পারে ১৩০ কিলোমিটার বেগের বাতাস নিয়ে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এটি ২৪ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ও খুলনা বিভাগের ওপর আছড়ে পড়তে পারে। ‘ডানা’ নামটি কাতার থেকে দেওয়া হয়েছে, এবং এটি আমেরিকা ও ইউরোপের আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেলগুলোতে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ২৩ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে বাংলাদেশের অধিকাংশ জেলায় ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে। এছাড়া, ৪ থেকে ৫ দিন ধরে টানা বৃষ্টি হতে পারে।
গতকাল শনিবার (১৯ অক্টোবর) আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ এক ফেসবুকে পোস্টে দেশের আলু চাষিদের আগামী ২০ অক্টোবরের পরে জমিতে নতুন করে কৃত্রিম সেচ না দেওয়ার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের আলু চাষিদের তিনি এ পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, ‘সম্ভব্য ঘূর্ণিঝড় ডানা যে সময়ে বাংলাদেশে আঘাত করতে যাচ্ছে, সেই সময় বাংলাদেশের কৃষকরা আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন। ২২ অক্টোবরের মধ্যে জমিতে পাকা ধান থাকলে, তা কেটে মাড়াই করে গোলায় উঠাতে হবে। নাইলে, এগুলো নষ্ট হবে।
কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে যে, শাক-সবজির জমি থেকে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে জমা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে রাখার জন্য। বিশেষ করে খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর উপরে খুবই ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা করা যাচ্ছে।’
জাগো/মেহেদী

