সুন্দরবনের জেলেরা অভিযোগ করেছেন যে, বনে প্রবেশের অনুমতিপত্র (বিএলসি) নবায়ন করতে গিয়ে সরকার নির্ধারিত রাজস্বের চেয়ে ৪০ গুণ বেশি ঘুষ দিতে হচ্ছে। বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠেছে। জেলেদের দাবি, ২৫ মণ ধারণক্ষমতার একটি নৌকার জন্য সরকার ১৫ টাকা নির্ধারণ করলেও কর্মকর্তারা ৬০০ থেকে ১,২০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করছেন। ঘুষ না দিলে, তারা বনজীবীদের হয়রানি করছেন এবং নিষিদ্ধ জাল ও কাঁকড়া ধরার অলিখিত অনুমতি পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে জেলেরা ঘুষ দিতে বাধ্য হন।
কিছু জেলে জানিয়েছেন, তারা বন বিভাগের দাবি অনুযায়ী ঘুষ দিয়েই অনুমতিপত্র নবায়ন করছেন। বানিয়াখালী, নলীয়ান, এবং কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কয়েকজন কর্মকর্তার নামও অভিযোগের সাথে যুক্ত হয়েছে। এসব কর্মকর্তারা অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কথা স্বীকার করেছেন, তবে দাবি করেছেন যে, জেলেরা আপত্তি করেন না এবং তারা জেলেদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকেন।
এ ধরনের দুর্নীতির কারণে সুন্দরবনের বনজীবীরা ক্রমাগত হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং তাদের জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়ছে।
সুন্দরবনের জেলেরা অভিযোগ করেছেন যে, বনে প্রবেশের অনুমতিপত্র (বিএলসি) নবায়ন করতে গিয়ে সরকার নির্ধারিত রাজস্বের চেয়ে ৪০ গুণ বেশি ঘুষ দিতে হচ্ছে। বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠেছে। জেলেদের দাবি, ২৫ মণ ধারণক্ষমতার একটি নৌকার জন্য সরকার ১৫ টাকা নির্ধারণ করলেও কর্মকর্তারা ৬০০ থেকে ১,২০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করছেন। ঘুষ না দিলে, তারা বনজীবীদের হয়রানি করছেন এবং নিষিদ্ধ জাল ও কাঁকড়া ধরার অলিখিত অনুমতি পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে জেলেরা ঘুষ দিতে বাধ্য হন।
কিছু জেলে জানিয়েছেন, তারা বন বিভাগের দাবি অনুযায়ী ঘুষ দিয়েই অনুমতিপত্র নবায়ন করছেন। বানিয়াখালী, নলীয়ান, এবং কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কয়েকজন কর্মকর্তার নামও অভিযোগের সাথে যুক্ত হয়েছে। এসব কর্মকর্তারা অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কথা স্বীকার করেছেন, তবে দাবি করেছেন যে, জেলেরা আপত্তি করেন না এবং তারা জেলেদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকেন।
এ ধরনের দুর্নীতির কারণে সুন্দরবনের বনজীবীরা ক্রমাগত হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং তাদের জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়ছে।

