দেশের পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা বন্যার কবলে পড়ার পর রেল যোগাযোগ ব্যহত হয়ে পড়ে। তবে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হওয়ায় এবং রেল কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগে পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে ট্রেন চলাচল আংশিকভাবে পুনরুদ্ধার হয়েছে।
গতকাল সোমবার রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলীসহ একটি দল ফেনী এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত রেল লাইন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পরই আংশিকভাবে ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কোন কোন ট্রেন চলাচল শুরু হবে:
চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুট: ঢাকা/চট্টগ্রাম মেইল, কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, মহানগর গোধূলী/প্রভাতী, তূর্ণা নিশিথা এক্সপ্রেস, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, পর্যটক এক্সপ্রেস
চট্টগ্রাম-সিলেট রুট: পাহাড়িকা এক্সপ্রেস
সিলেট-চট্টগ্রাম রুট: উদয়ন এক্সপ্রেস
চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুট: সাগরিকা এক্সপ্রেস
এছাড়াও চট্টগ্রাম থেকে জ্বালানি তেলবাহী ট্রেন এবং কন্টেইনার ট্রেনও চলাচল করবে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে দুটি লাইন আছে। স্রোতে একটি লাইন (চট্টগ্রাম-ঢাকা) বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যটি (ঢাকা-চট্টগ্রাম) সংস্কার করে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা, জামালপুর, সিলেট ও চাঁদপুর রুটে প্রতিদিন ১১টি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। এছাড়া কক্সবাজার, নাজিরহাট, চাঁদপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ রুটেও লোকাল ও কমিউটার ট্রেন চলাচল করে।
বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত রেলপথ দ্রুত মেরামত করে যাত্রীদের সুবিধার জন্য ট্রেন চলাচল পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। তবে কিছু লাইন এখনও সম্পূর্ণ মেরামত করা হয়নি। আশা করা যায়, খুব শীঘ্রই সব রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।

