হাইকোর্টের রায় আপাতত বহাল রেখে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের বিষয়ে আজ ৪ঠা জুলাই কোন শুনানি হয়নি।
পূর্ণাঙ্গ রায় পাওয়ার পর নিয়মিত আপিলের জন্য আপিল বিভাগে পাঠানো হয়েছে এই বিষয়টি। একইসাথে, রাজপথে আন্দোলন করে সুপ্রিম কোর্টের রায় পরিবর্তন করা যায় কি না – তাও জানতে চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি। গত ৯ই জুন হাইকোর্টের রায় স্থগিত না করে নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়েছিলেন চেম্বার আদালত। এরপর থেকেই দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন।
গত ৫ই জুন হাইকোর্ট প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে।
২০১৮ সালের ৪ঠা অক্টোবর সরকার মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর পদে সরাসরি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি তুলে দিয়ে পরিপত্র জারি করে। এই পরিপত্রের বিরুদ্ধে রিট আবেদন করেছিলেন বেশ কয়েকজন। ওই রিটের উপর শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রায় দেয়।
বর্তমানে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে শুনানি চলমান। পূর্ণাঙ্গ রায়ের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।
জাগো/আরএইচএম

