যশোরে বিষধর সাপ রাসেল ভাইপার নিয়ে জনমনে আতঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর আলোচনাও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
তবে স্বাস্থ্য বিভাগ স্পষ্ট করেছে যে এখন পর্যন্ত এ জেলায় এই সাপের কামড়ে কেউ আক্রান্ত হয়নি।
প্রাণহানির ঝুঁকি কমাতে স্বাস্থ্য বিভাগ দ্রুত চিকিৎসার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন সাপে কামড়ালে ওঝার কাছে না গিয়ে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে হবে। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল এবং ৮টি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে অ্যান্টিভেনম রয়েছে। সাপে কামড়ানোর প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। রাসেল ভাইপারের কামড় মারাত্মক হতে পারে। এর কামড়ে কিডনি বিকল হতে পারে, শরীরে জ্বালাপোড়া ও পচন হতে পারে এবং রক্ত জমাট বাঁধতে পারে।
তাই স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চললে রাসেল ভাইপারের কামড়ে মৃত্যু ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
এই সাপ সাধারণত ধানক্ষেত, নদীর তীরে এবং ঘাসে বসবাস করে। বর্ষাকালে এরা শুষ্ক স্থানে আশ্রয় নেয়।
রাসেল ভাইপারের কামড়ে মৃত্যুর কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে: শক, পেশী প্যারালাইসিস, রক্তক্ষরণ এবং কিডনি নষ্ট হওয়া।
যশোর সিভিল সার্জন ডাক্তার মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন যে, স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে রাসেল ভাইপার সম্পর্কে সচেতন থাকতে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে।
জাগো/আরএইচএম

