প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল উপকূল অতিক্রম করেছে। উপকূলীয় জেলাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে সুন্দরবন বরাবরের মত এবারও ঢাল হয়ে স্থলভাগের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়েছে।
বন বিভাগ ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো মনে করেন, সুন্দরবন বাধাপ্রাপ্ত হয়ে স্থলভাগে ঝড়ের গতি কমিয়ে দিয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে সুপেয় পানির পুকুর, বন বিভাগের জলযান ও ওয়্যারলেস সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বন্যপ্রাণির মৃত্যু হয়েছে।এছাড়াও বনের অভ্যন্তরে প্রায় ছয় থেকে সাত ফুট জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল।
বাগেরহাট শহর থেকে বনের অভ্যন্তরে ১০০ কিলোমিটার দূরে সাগরের কাছাকাছি অবস্থিত বন বিভাগের স্টেশনগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুবলার চর, শেলার চর, কচিখালী, কটকা, শরণখোলা ও বরগুনা জেলার পাথরঘাটা স্টেশনের টিনের চালা উড়ে গেছে। কটকা কেন্দ্রের কাঠের জেটি ভেঙে গেছে।
বন কর্মী, জেলে, বাওয়ালি ও বন্যপ্রাণিদের জন্য সুপেয় পানির যে আধার ছিল সেগুলো পানিতে প্লাবিত হয়ে লবণাক্ত পানি ঢুকে গেছে। সুন্দরবনের কটকায় সুপেয় পানির যে পুকুরটি ছিল সেটি সমুদ্রে বিলীন হয়ে গেছে। বন বিভাগের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম অনেক জায়গায় নষ্ট হয়ে গেছে। ছোট ছোট ট্রলার, কাঠ, গাছপালাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক বন্যপ্রাণি বিপন্ন হয়েছে এবং বেশ কিছু বন্যপ্রাণির মৃত্যু হয়েছে।
বন বিভাগ আজ থেকে সরেজমিনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করবে।
ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে বাংলাদেশের পশ্চিমবঙ্গ উপকূলেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।সূত্র: ডিডব্লিউ, এনটিভি
জাগো/আরএইচএম

