গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে, ডিবি পুলিশের একটি দল আবু বকর সিদ্দিক নামের এক ফ্রিল্যান্সারকে আটক করে। আবু বকরের অভিযোগ, পুলিশ তার মোবাইল ফোন থেকে ১০ লাখ টাকা এবং তার বাইন্যান্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।
পরে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ও ক্রসফায়ারের ভয় দেখানো হয়।
আবু বকরের স্ত্রী হুসনুম মামুরাত লুবাবা ৮ পুলিশ সদস্যসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেয়।
সর্বশেষ আপডেট:
- সিএমপি কমিশনার (অ্যাডিশনাল আইজিপি) কৃষ্ণ পদ রায় স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) রুহুল আমিনকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে।
- এসআই (নিরস্ত্র) মো. আলমগীর হোসেন, এএসআই (নিরস্ত্র) মো. বাবুল মিয়া, এএসআই (নিরস্ত্র) মো. শাহ পরাণ জান্নাত, এএসআই (নিরস্ত্র) মইনুল হোসেন, কনস্টেবল মো. জাহিদুর রহমান এবং কনস্টেবল আব্দুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
জাগো/আরএইচএম

