সারা দেশে লাইসেন্সধারী বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক ও ব্ল্যাড ব্যাংকের সংখ্যা ১৫ হাজার ২৩৩টি। এর বিপরীতে লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০২৭টি।
এই তথ্য উঠে এসেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকায় লাইসেন্সবিহীন হাসপাতাল-ক্লিনিকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ঢাকার বাইরেও বিভিন্ন জেলায় লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উদ্বেগজনক। লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসম্পন্ন চিকিৎসা সেবা না পাওয়ায় রোগীদের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।
লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করা হবে।
এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর, লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্বাস্থ্যবিদরা। রোগীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই প্রতিবেদনটি স্বাস্থ্য সেবা ক্ষেত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত।
লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায়শই অদক্ষ চিকিৎসক ও নার্সদের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
এসব প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসার সরঞ্জামও প্রায়শই অমানক হয়। লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগও প্রায়শই শোনা যায়।
জাগো/আরএইচএম

